বাংলাদেশে দূতাবাসে জাতীয় শোক দিবস পালন
স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ১৫ আগষ্ট জাতীর জনক বঙ্গঁবন্ধুর ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন। বাংলার মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাত্র ৫৫ বছরের জীবন স্বদেশের মাটি আর মানুষকে এমন গভির ভালবাসার বন্ধনে বেঁধেছিলেন যে বন্ধন কোনদিন ছিন্ন হবার নয়, আজীবন ঔপনিবেশিক শোষন বঞ্চনার বিরুদ্ধে, দরিদ্র-নিপিড়িত বঞ্চিত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে এমন এক অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন যার তুলনা বিরল। একজন নেতার যে সব গুনাবলী থাকার প্রয়োজন তার সব গুন নিয়রই জন্মেছিলেন ক্ষনজন্ম এই মহাপুরুষ। যার রাজনৈতিক জীবন ছিল বহুবর্নিল, যার কণ্ঠে ছিল যাদু, যিনি রচনা করেছিলেন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিজয় ইতিহাস।
এতোকিছুর পরও শেষ পর্যন্ত তাকে জীবন দিতে হয়েছে ঘাতকদের হাতে। ব্যদনাবিধুর কলঙ্কের কালিমায় কলুষিত বিভিষিকাময় ইতিহাসের এক ভয়ংকর দিনের নাম ১৫ই আগষ্ট,দিবসটি স্মরণে মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাসে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলেন আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার, অনুষ্ঠানের শুরুতেই ১৫ ই আগষ্ট সাহাদাত বরনকারী বঙ্গঁবন্ধুসহ সকল শহীদদের স্মরনে দাড়িয়ে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। মিনিষ্টার এন্ড হেড অব চ্যান্সরী হারুন আল রশীদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর জাতির উদ্দ্যশ্যে দেয়া বানী পাঠ বরে শোনান, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মোহাম্মাদ নাভিদ শফিউল্লাহ ও প্রথম সচিব লেবার উইং শরীফুল ইসলাম,
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মাওলা,আব্দুর রহমান, সাংবাদিক এ.কে.এম জহিরুল ইসলাম, স্পেন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নয়ন,এস.আর.আই রবিন,মোহাম্মদ দুলাল সাফা, আবদুর রহমান, আজম কাল, মিনহাজুল আলম মামুন, আইয়ুব আলী সোহাগ,জাকির হোসেন, খসরু চৌধুরী, মোঃ আমিন, জসিম উদ্দিন, বাহারুল আলম, বদরুল আলম, তাপস দেবনাথ, দিদার আহমেদ, হারু আল রশীদ, মাসুদ রানা প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গঁবন্ধুসহ ১৫ আগষ্টে সাহাদাৎ বরন করা সকল শহীদদের, জাতীয় চার নেতা মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৩০ লক্ষ বীর শহীদ আর দু'লক্ষ সম্ভম হারানো মা-বোনকে।শোক দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে "বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অসমাপ্ত আত্মজীবনী" বইটি তুলে দিয়ে সকলকে বইটি পড়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন একজান গ্রাম্য কিশোর থেকে মা-বাবার আদরের খোকা বাঙ্গলী জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও জাতির জনক হয়েছেন এ তথ্য ও নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অনুপ্রানীত করায় বিশেষ ভুমিকা রাখবে। প্রবাসীদের এক একজন রাষ্ট্রদূত আখ্যায়িত করে বঙ্গঁবন্ধুর আদর্শে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করার আহবান জানান। পরে সকল শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এতোকিছুর পরও শেষ পর্যন্ত তাকে জীবন দিতে হয়েছে ঘাতকদের হাতে। ব্যদনাবিধুর কলঙ্কের কালিমায় কলুষিত বিভিষিকাময় ইতিহাসের এক ভয়ংকর দিনের নাম ১৫ই আগষ্ট,দিবসটি স্মরণে মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাসে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলেন আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার, অনুষ্ঠানের শুরুতেই ১৫ ই আগষ্ট সাহাদাত বরনকারী বঙ্গঁবন্ধুসহ সকল শহীদদের স্মরনে দাড়িয়ে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। মিনিষ্টার এন্ড হেড অব চ্যান্সরী হারুন আল রশীদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর জাতির উদ্দ্যশ্যে দেয়া বানী পাঠ বরে শোনান, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মোহাম্মাদ নাভিদ শফিউল্লাহ ও প্রথম সচিব লেবার উইং শরীফুল ইসলাম,
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মাওলা,আব্দুর রহমান, সাংবাদিক এ.কে.এম জহিরুল ইসলাম, স্পেন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নয়ন,এস.আর.আই রবিন,মোহাম্মদ দুলাল সাফা, আবদুর রহমান, আজম কাল, মিনহাজুল আলম মামুন, আইয়ুব আলী সোহাগ,জাকির হোসেন, খসরু চৌধুরী, মোঃ আমিন, জসিম উদ্দিন, বাহারুল আলম, বদরুল আলম, তাপস দেবনাথ, দিদার আহমেদ, হারু আল রশীদ, মাসুদ রানা প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গঁবন্ধুসহ ১৫ আগষ্টে সাহাদাৎ বরন করা সকল শহীদদের, জাতীয় চার নেতা মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৩০ লক্ষ বীর শহীদ আর দু'লক্ষ সম্ভম হারানো মা-বোনকে।শোক দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে "বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অসমাপ্ত আত্মজীবনী" বইটি তুলে দিয়ে সকলকে বইটি পড়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন একজান গ্রাম্য কিশোর থেকে মা-বাবার আদরের খোকা বাঙ্গলী জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও জাতির জনক হয়েছেন এ তথ্য ও নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অনুপ্রানীত করায় বিশেষ ভুমিকা রাখবে। প্রবাসীদের এক একজন রাষ্ট্রদূত আখ্যায়িত করে বঙ্গঁবন্ধুর আদর্শে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করার আহবান জানান। পরে সকল শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

Comments
Post a Comment